ভয় জিনিসটার তেমন আভিধানিক কোনো অর্থ নেই। কোনো সংজ্ঞাও নেই। ধরুন আপনি আপনার বন্ধু রমেশের সঙ্গে মনের সুখে বৈঠকখানায় বসে আড্ডা দিচ্ছেন , এমন সময়ে পাশের ঘরে ফোন বাজতেই আপনি দৌড়ে গিয়ে ফোনটা তুললেন এবং ওপাশ থেকে আওয়াজ এলো- "হ্যালো, আমি রমেশ বলছি রে, আজ একটা কাজে আটকে গিয়ে আর যেতে পারলাম না রে"- বাকি কথা আপনার কানে পৌঁছালো না কারণ আপনার ঘাড়ে কার যেন গরম নিঃশ্বাস পড়ছে! তখন যে অনুভূতিটা হয়, সেটাই ভয়!
কিম্বা আপনি ঘরে একা রয়েছেন। বাইরের দরজা বেশ করে বন্ধ করে সবে বিছানায় শুয়েছেন, হঠাৎ অ্যাটাচড বাথরুমের ভিতর থেকে ফ্ল্যাশ করার শব্দে চমকে উঠে শুষ্ক গলায় চীৎকার করে উঠলেন - "কে? কে ভিতরে?"
ভিতর থেকে অবিকল আপনার কন্ঠস্বরে উত্তর ভেসে এলো - "আমি"
তখন আপনার শিরদাঁড়া বেয়ে যে শীতল স্রোতটা নামবে, ওইটাই ভয়!
তাই অভিধানে সংজ্ঞা না থাকলেও ভয় আছে... ভয় থাকে... কারণ ভয়ঙ্কররা আমাদের আশেপাশেই ওৎ পেতে থাকে...
আজ এই বইটিও তেমনই কিছু অলৌকিক কথা, কিছু ব্যাখ্যাহীন ঘটনা, কিছু প্রতিকার, কিছু রহস্য আর কিছু ভয় নিয়ে উপস্থিত হয়েছে আপনার কাছে।
আপনার হাতে এখন যেটা রয়েছে, এটা কেবল একটা বই নয়.... এটা সেই অনুভূতিটা, যার ব্যাখ্যা অভিধানে নেই... থাকে না।