বলা হয় একইরকম দেখতে একাধিক মানুষ নাকি থাকে এই পৃথিবীর বুকেই। কিন্তু যদি বিজ্ঞানের অগ্রগতিকে কাজে লাগিয়ে বানিয়ে ফেলা যায় একজন জলজ্যান্ত মানুষের ক্লোন? একবার ভাবুন তো, যদি আপনার ক্লোন, আপনারই পরিবারের মানুষদের সঙ্গে মিশে আপনার অস্তিত্বকেই সংকটে ফেলে দেয়?
ইন্দিরার জিন থেকে তৈরি তার ক্লোন যখন একইরকম ভাবনা,চিন্তা, অভিব্যক্তি নিয়ে দাঁড়াবে তার পরিবারের সামনে, তার স্বামীর সামনে, তখন কি ইন্দিরার পক্ষে কালকুঠুরি থেকে বেরিয়ে প্রমাণ করা সম্ভব হবে, যে সে-ই আসল ইন্দিরা? কেনই-বা এমন বিপদের মুখোমুখি ইন্দিরা? কে, কোন উদ্দেশে বানাল তার ক্লোন? সে কি আর কখনও ফিরতে পারবে তার জীবনে? নাকি তার ক্লোন অধিকার করে নেবে তার জায়গা?