কানাওলার ফাঁদঃ
নেকড়েমারি গ্রামের আকাশে-বাতাসে কীসের আতঙ্ক? কখনও ধানক্ষেতে, কখনও ডোবার জলে অদৃশ্য কারুর চলে বেড়ানোর আওয়াজ! কে সে? নদীপাড়ের বটগাছে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করছে একের পর এক গ্রামবাসী। কিন্তু কেন?
নেত্রপাণির বিভীষিকাঃ
নেত্রপাণি তালুক থেকে উধাও হয়ে যাচ্ছে মেয়েমানুষ... পাঁচমারীর বনে আস্তানা গেড়েছে দু’জন কাপালিক... হচ্ছে অগ্নিমন্থন সাধনা... কী তাদের উদ্দেশ্য? শূন্যে ঝুলে রয়েছে নীলমণি মাস্টারের মৃতদেহ... একবিন্দুও রক্ত অবশিষ্ট নেই দেহে... হাড়গোড় বিচূর্ণ হয়ে থেঁতলানো... নেপথ্যে কে?
চন্দ্রপিশাচ রহস্যঃ
হিজলপোঁতা গ্রামে আবির্ভূত হলেন সৌম্যদর্শন, শ্বেতবর্ণ কেশধারী এক বৃদ্ধ সাধু... সঙ্গে এক রহস্যময় তাম্রলিপি... কী রহস্য লুকিয়ে আছে তাতে? দিনে রাতে নিশির ডাকে পথ হারিয়ে মারা যাচ্ছে মানুষ... তারপর?
রক্তগন্ধা রহস্য
একজন মানুষকে নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করতে কী বেছে নেবেন? তার পূর্ব-পরিচিত মুখাবয়ব? নাকি বর্ণ? নাকি গন্ধ? পুরাণে বর্ণিত সব ঘটনা কি নিছকই কল্পকাহিনী? সত্যি কি প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা যায় নির্জীব বস্তুতে?
হোগলামারির নরঘাতকঃ
কাঁচা মাংস চিবিয়ে খায় মেয়েটি... তার প্রেমেই পড়ল হোগলামারির জমিদারবাড়ির ছেলে শিবা... শিবা কী জানতে পারবে সুলতার আসল পরিচয়?
আপাইঃ
সাদা ধোঁয়াটের মতো আকৃতি... লোমশ হাত-পা... সারা দেহের হাড়-মাংস সব ঝলসানো... চোখ দুটো কয়লার ভাঁটির মতো জ্বলছে... একের পর এক পাওয়া যাচ্ছে গবাদি পশু, পাখি, মানুষজনের ক্ষত-বিক্ষত আধ-খাওয়া দেহাবশেষ... কে এই সাক্ষাৎ বিভীষিকা? কী চাই সে?
যখন অপশক্তির হাতে জীবনীশক্তি পরাস্ত হতে আরম্ভ করে…
অশরীরী অপদেবতার হিংস্র থাবা গ্রাস করতে থাকে একের পর এক গ্রাম, তালুক, শহর…
অপারগ মানুষ অসহায়ভাবে অপেক্ষা করতে থাকে মৃত্যুর
ঠিক তখনই...
কোনও না কোনও উপায়ে সেখানে আবির্ভূত হন...
পিশাচের যম...
অপশক্তির সাক্ষাৎ শমন...
এক ব্রাহ্মণ...
নাম কালীপদ মুখুজ্জে...
নিবাস রায়দীঘড়া।