সিকিমের একটি শান্ত গ্রাম কাঞ্জাং এক রাত্রে হঠাৎ করেই জনশূন্য হয়ে যায়। অবশিষ্টাংশ হিসেবে পড়ে থাকে গ্রামবাসীদের গোছা গোছা চুল আর উপড়ানো নখ। পাহাড়ের শিরশিরে হাওয়ায় ভাসতে থাকে একটাই কথা, ‘‘পুরা কাঞ্জাং শাপিত হো চুকা হ্যায়’’। এক আতঙ্কের ঢেউ ছড়িয়ে পড়তে থাকে ধীরে ধীরে পাহাড়ের বাকি গ্রামগুলোতে।
এদিকে কলকাতা শহরে বসে পলাশ হঠাৎ করেই সম্মুখীন হয় একদল নরকজীবের আক্রমণের। পলাশের ডানহাতে কনুই অবধি রুoাক্ষের মালা জড়ানো। কোনো কিছু কি আড়াল করতে চাইছে পলাশ? কোথা থেকেই বা এল এই নরকজীবের দল? আর রণ! কীই বা ওর আসল পরিচয়?
বহু বছর আগের এক অভিশপ্ত ইতিহাস ফিরে আসতে চাইছে আবার। কিন্তু কেন? শুধুই কি প্রতিহিংসা!
আছে এক ভয়ঙ্কর বিধ্বংসী ষড়যন্ত্র যা বদলে দেবে সৃষ্টির ইতিহাস? ‘Remotinem autem infirma’ অর্থাৎ দুর্বলের অপসারণ হয়ে পড়েছে অনিবার্য। কিন্তু কেন? উত্তর খুঁজতে পলাশ বন্ধু রণজয়কে নিয়ে পাড়ি দিলো পাহাড়ে। আর মুখোমুখি হল এক ভয়ঙ্কর অভিশাপের।
ওরা কি পারবে ইতিহাসের ধুলো সরিয়ে অভিশাপের মূলে পৌঁছোতে? নরকজীবেদের আটকানোর সত্যি কি কোনো রাস্তা অবশিষ্ট আছে আর?