ইন্দো মায়নামার সীমান্তের একটি গ্রাম দংজু। ইন্দোবার্মা যুদ্ধের জন্য পুরো গ্রাম পরিত্যক্ত। কিন্তু সেই গ্রামেই রাতের আঁধারে হাজির হয়েছে কিছু মানুষ। এক বিশেষ উদ্দেশ্যে। উপজাতীয় যুবক সুসুয়ান চমকে ওঠে এই আলোচনায় উপস্থিত বিশেষ অথিতেদের দিকে। মোনি ভনকেই! কারা এই মোনি ভনকেই। তাকে দেখে সুসুয়ান সহ বাকিরাই বা এতো ভয় পাচ্ছে কেন? কী উদ্দেশ্যে, পুরো দংজু গ্রাম ছেড়ে চলে গেলেও, সুসুয়ান সহ বাকি তিনজন যুবককে থেকে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন তাঁদের গ্রামের রাজা। এক নিষিদ্ধ দেবতা যার নামও নিতে নেই, অত্যন্ত গোপনে, আর বিশেষ কিছু নিয়ম মেনে সীমান্ত পার করে নিয়ে যেতে হবে, ভারতের মিজোরামে। কিন্তু কড়া নির্দেশ, মুখের বাঁধন, যেন না খোলা হয়। সুসুয়ান কী পারবে? শেষ পর্যন্ত সেই নির্দেশ মানতে? নাকি অতীতের গর্ভে আঁকা হয়ে যাবে আসন্ন ভবিষ্যতের অশনি সঙ্কেত।
আইজল থেকে যে লোকটিকে নদীর মনে হত, সে তাঁদের ফলো করছে এই মুহূর্তে, গাড়িতে সে তাঁদের গাইড হিসেবে বসে। উদ্দেশ্য এই মিজো লোকটির উপজাতি গ্রাম দারমাং ঘুরে দেখার। কিন্তু নদীর মন এতো কু গাইছে কেন? কেনই বা তার মনে হচ্ছে, কিছু একটা বিপদ ঘটতে চলেছে? নদী কী পারবে সেই বিপদ থেকে নিজেকে আর তার পরিবারকে রক্ষা করতে? নাকি এই সিদ্ধান্তে বদলে যাবে তার জীবন?
চি বাই কারা? পুইথিয়ামই বা কে? কেন দারমাং গ্রামের লোকেরা বাইরের মানুষদের নিজেদের গ্রামের ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেয় না? আর সেই অনুমতি নদী, সময় আর বুমবুমমের জন্যই কেন বা শিথিল হল? কী সম্পর্ক রয়েছে ওদের দারমাং এর সঙ্গে? কেন নদী বারবার দুঃস্বপ্ন দেখছে যে একটা বিশেষ নক্সার?
বৌদ্ধতন্ত্রের এক ভয়ঙ্কর দেবী মাতাং আর তার পুত্র, সেই সঙ্গে মিজোরামের একটা পুরো উপজাতি গ্রাম দারমাং কিভাবে একটু একটু করে জড়িয়ে পড়ে নদী সময় আর বুমবুমের জীবনে? এর থেকে কী আদেও রয়েছে তাঁদের মুক্তি। নাকি পরিণতি শুধু মৃত্যু আর ধ্বংস?